‘পূর্ব ভারত – মানুষ ও সংস্কৃতি’
ISSN: 2319-8591
গবেষণাধর্মী আন্তর্বিদ্যাশৃঙ্খলামূলক বিশেষজ্ঞ দ্বারা শংসায়িত ষান্মাসিক পত্রিকা
প্রকাশক
‘ইস্ট ইন্ডিয়ান সোসাইটি ফর দ্য স্টাডিজ অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস’
‘ পূর্বভারত ’– পত্রিকার আগামী সংখ্যার (বর্ষ ৬, সংখ্যা ২) জন্য প্রবন্ধ আহ্বান
সুধী ,
‘ইস্ট ইন্ডিয়ান সোসাইটি ফর দ্য স্টাডিজ অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস’-এর দ্বারা প্রকাশিত গবেষণাধর্মী আন্তর্বিদ্যাশৃঙ্খলামূলক বিশেষজ্ঞ দ্বারা শংসায়িত ষান্মাসিক পত্রিকা ‘ পূর্বভারত – মানুষ ও সংস্কৃতি ’(ISSN 2319-8591)-এর ডিসেম্বর, ২০২৩ সংখ্যায় প্রবন্ধমালা প্রকাশের লক্ষ্যে গবেষক ও লেখকদের কাছ থেকে সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাস্ত্র যেমন- ইতিহাস, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মনোবিদ্যা, অর্থনীতি, সমাজবিদ্যা সহ সকল মানবিকীবিদ্যার যে কোন শাখা থেকে গবেষণাধর্মী, অপ্রকাশিত ও মৌলিক প্রবন্ধের আহ্বান করা হচ্ছে। অনধিক ৫০০০ শব্দের মধ্যে সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলীকে অনুসরণ করে ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৪–র মধ্যে লেখা পাঠাতে হবে।
প্রবন্ধ প্রেরণের নিয়মাবলী
- টীকা ও তথ্য নির্দেশ ব্যতীত প্রবন্ধের শব্দ সংখ্যা সর্বোচ্চ ৪৫০০ – ৫০০০ সঙ্গে অনধিক ২৫০ শব্দ সংখ্যার সার সংক্ষেপ এবং সর্বোচ্চ ৬টি সূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে।
- প্রবন্ধ টাইপ করার পর ভালো করে প্রুফ দেখে লেখা পাঠাবেন। প্রবন্ধ কাঠামো হতে হবে শিরোনাম, সারসংক্ষেপ, সূচক শব্দ, ভূমিকা, গবেষণার প্রয়োজনীয়তা, প্রাসঙ্গিক বা মূল আলোচনা এবং উপসংহার।
- পশ্চিমবঙ্গ বাঙলা একাদেমির বানান বিধি অনুসারে প্রবন্ধটি রচিত হতে হবে।
- প্রবন্ধে প্রাবন্ধিকের নাম, ঠিকানা (ই-মেল সহ), উপাধি, পেশাগত প্রাতিষ্ঠানিক পদমর্যাদা ও যোগাযোগ নম্বর অবশ্যই দিতে হবে।
- প্রতিটি স্বীকৃত নিবন্ধ সম্পাদকমণ্ডলীর দ্বারা সম্পাদনা করা হবে। লেখক যদি সম্পাদিত অনুলিপিটি দেখতে চান তবে নিবন্ধটি চূড়ান্ত নির্বাচনের সময় তাকে এই অনুরোধ করতে হবে।
- লেখক তাঁর লিখিত নিবন্ধটির কপিরাইটের মালিক হন যতক্ষণ না নিবন্ধটি প্রকাশের জন্য “পূর্বভারত” পত্রিকার দ্বারা গৃহীত হয়। চূড়ান্ত নির্বাচনের পরে নিবন্ধটির কপিরাইটটি “পূর্বভারত”-এর মালিকানাধীন এবং সম্পাদকের লিখিত অনুমতি ব্যতীত অন্য কোথাও পুনরায় প্রকাশ কিংবা আংশিক প্রকাশ করা যাবে না।
- প্রবন্ধটি অভ্র (Avro) তে ( Microsoft Office Word (.docx), Unicode Fonts, যেমন – Kalpurush or Nirmala UI ইত্যাদি) –এ টাইপ করে ডকুমেন্ট ফাইল ও pdf করে নিজস্ব ইমেইল থেকে .docx, এবং pdf দুটো ফাইল পাঠাতে হবে। হাতে লেখা বা স্ক্যান করা ফাইল গৃহীত হবে না।
- প্রবন্ধ রচনায় টীকা ও তথ্য নির্দেশ এর ক্ষেত্রে এন্ডনোট পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে কিন্তু ফুট নোট ব্যবহার করা যাবে না।
- প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য বা তত্ত্বের উৎসের বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে।
- তথ্যসূত্রে বারংবার একই তথ্যের উল্লেখ করা চলবে না। সেক্ষেত্রে নির্দেশিকার ‘তদেব’ ; ‘প্রাগুক্ত’; ‘ঐ ’ প্রভৃতি পরিভাষা ব্যবহার করতে হবে । একই লেখকের একাধিক গ্রন্থ ব্যবহৃত হলে লেখকের নামের পাশাপাশি গ্রন্থের নামটিও সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।
- দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ, সাময়িক পত্র বা অপ্রকাশিত গবেষণা সন্দর্ভের ক্ষেত্রে গ্রন্থ সংলেখ নং (Call No.), বিভাগ , গ্রন্থাগার , ঠিকানা প্রভৃতি বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে ।
- অন-লাইন ডকুমেন্ট (Online Document), ই-জার্নাল (e-journal), ই-বুকের (e-book) ক্ষেত্রে প্রথম বন্ধনীর মধ্যে ইউ আর এল (URL, DOI) এবং তারিখ উল্লেখ করতে হবে।
- নির্দিষ্ট তথ্য সুত্র ব্যতীত কোন প্রবন্ধ চূড়ান্ত বলে গৃহীত হবে না।
- শুধুমাত্র সোসাইটি ইমেইলে প্রবন্ধ পাঠাতে হবে, মেইল করার সময় খেয়াল রাখুন ফাইলটি অ্যাটাচড হয়েছে কিনা।
- প্রবন্ধ গৃহীত হলে লেখককে Acceptance letter ইমেইল করে জানিয়ে দেওয়া হবে।
- লেখা পাঠাবার সময় সোসাইটিকে Postal Address, Whats App No & Phone Number পাঠাতে হবে।
প্রয়োজনে যোগাযোগ করবেন
সুজয় দেবনাথ (7407018862); স্বাধীন ঝা (9733134588); অখিল সরকার ( 7001346815)
প্রবন্ধ পাঠাবেন এই ইমেলে :
তথ্যসূত্রের নিয়মাবলী
- গ্রন্থ ও সংকলনের ক্ষেত্রে
- লেখকের কুলনাম / পদবি, লেখকের আদ্যনাম, গ্রন্থের নাম, খ. (খণ্ড); অনু. (অনুবাদকের নাম) স. (সম্পাদকের নাম), সং. (সংস্করণ), প্রকাশস্থান : প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশকাল, পৃ. (পৃষ্ঠাঙ্ক)।
- ( দুইয়ের অধিক লেখক সংখ্যা হলে প্রথম লেখকের কুলনাম / পদবি, লেখকের আদ্যনাম, ও অন্যান্য হিসেবে উল্লেখ করতে হবে ।
- উদাহরণ – ত্রিপাঠী, অমলেশ, স্বাধীনতার সুখ, প্রথম সং., কলকাতা : আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, ১৯৯৮, পৃ. ৬১
- সান্যাল, হিতেশ রঞ্জন বাংলায় সামাজিক গতিময়তার ইতিহাস , ( Social Mobility in Bengal ) অনু. মনস্বিতা সান্যাল, ১ম বাংলা সং., কলকাতা: বুকপোস্ট পাবলিকেশন, ২০১৫, পৃ. ২৫
- প্রবন্ধ ও অধ্যায়ের ক্ষেত্রে
- লেখকের কুলনাম/ পদবি,লেখকের আদ্যনাম, ‘ প্রবন্ধের শিরোনাম ’,গ্রন্থ, সংকলন, সাময়িকপত্রের নাম, স. (সম্পাদকের নাম), খ. (খণ্ড), সাময়িক পত্রের ক্ষেত্রে বর্ষ ; সংখ্যা ; মাস; সাল/ অব্দ, প্রকাশ স্থান, প্রকাশকাল, পৃ. (পৃষ্ঠাঙ্ক)।
- সাময়িকপত্রের ক্ষেত্রে পূর্বেই একবার বিস্তারিত সময়কাল উল্লেখিত হওয়ার পর দ্বিতীয়বারটা লিখবার প্রয়োজন নেই।
- উদাহরণ – ঘোষ, শঙ্কর ‘হস্তান্তর’, দেশ, স. অমিতাভ চৌধুরী, ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৮, কলকাতা, পৃ. ১০
- সংবাদপত্রে প্রকাশিত সম্পাদকীয় ও প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে
- লেখকের কুলনাম/ পদবি, লেখকের আদ্যনাম, ‘ শিরোনাম’; সম্পাদকীয়/ প্রতিবেদন , প্রবন্ধ, সংবাদপত্রের নাম, তারিখ, সং. (সংস্করণ), প্রকাশস্থান, পৃ. সংখ্যা: কলাম সংখ্যা লিখতে হবে।
উদাহরণ –দাস, বীণা‘ আমার ছেলেবেলা’, প্রবন্ধ, আনন্দবাজার পত্রিকা, ১ ডিসেম্বর, ১৯৯০
- অন–লাইন ডকুমেন্ট (Online Document), ই–জার্নাল (e-journal), ই–বুকের (e-book) ক্ষেত্রে
- লেখকের কুলনাম/পদবী , লেখকের আদ্যনাম, ‘গ্রন্থ / প্রবন্ধের শিরোনাম’ প্রথম বন্ধনীর মধ্যে ইউ আর এল (URL, DOI) এবং তারিখ, তথ্য সংগ্রহের সময় উল্লেখ করতে হবে।
উদাহরণ – মজুমদার, রমেশ্চন্দ্র ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ( ১ম খন্ড)’ (https://www.ebanglalibrary.com/books), ০৩জানুয়ারি, ২০১৯, সময়-১১:৩০মিঃ
